মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে স্থানীয়দের ৩শ’ একর জমিতে চাষাবাদ ব্যাহত সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানার জামিন বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়ীত্ব, তৃষার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জ্যোতিষীর বিস্ফোরক মন্তব্য ইরানকে নতি স্বীকার করানোর মতো ‘হাতিয়ার’ ট্রাম্পের ফুরিয়ে আসছে: বিশ্লেষক খুনোখুনি থামছে না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, সক্রিয় ৬ সশস্ত্র গোষ্ঠী কোনো কাজে সফল হতে যা করবেন জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: শহরে নিরাপত্তা জোরদারে আহবান স্বপ্নার এনসিপি প্রথম ধাপে উপজেলা ও পৌর নির্বাচনে ১০০ প্রার্থী ঘোষণা ইরান আনুষ্ঠানিক জবাব দিল যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথম চন্দ্রজয়ী মাইকেল কলিন্স মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মানবেতিহাসে প্রথমবার চাঁদে পা রাখা দলের সদস্য মাইকেল কলিন্স মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন। বুধবার পরিবারেরর সদস্যদের সান্নিধ্যে তার মৃত্যু হয়। খবর বিবিসি।

কলিন্সের পরিবার সূত্র টুইটারে জানায়, তার শঅন্তিপূর্ণ মৃত্যু হয়েছে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন। তিনি জীবনের সব প্রতিকূলতা একাগ্রতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন, শেষ সময়েও তা অটুট ছিল।

নাসার প্রশাসক স্টিভ জুরিক এক বিবৃতিতে বলেন, নাসা গভীর শোকের সঙ্গে একজন মহান পাইলট ও নভোচারীর বিদায়ে শোক প্রকাশ করছে। তিনি এমন এক বন্ধু ছিলেন যিনি সবসময় মানুষের অগ্রযাত্রায় উৎসাহ দিতেন।

১৯৬৯ সালে চাঁদের বুকে প্রথম পা রেখেছিল নাসার অ্যাপোলো ১১। এর আগ পর্যন্ত চাঁদ ছিল মানুষের কাছে শুধু কল্পনার জগত। প্রায় চার লাখ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের অক্লান্ত পরিশ্রমে কল্পনার চাঁদ বাস্তব হয়ে ধরা দিল মানবসভ্যতার কাছে।

মাইকেল কলিন্স ছিলেন সেই চন্দ্রাভিযানের কমান্ড মডিউল পাইলট। অভিযানে নিল আর্মস্ট্রং এবং এডউইন অলড্রিনের চাঁদের বুকে পা রাখেন। তবে কলিন্স চাঁদে নামেননি। এ কারণে তাকে ‘বিস্মৃত নভোচারী’ বলা হয়।

অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঘটেছিল দুটি যান্ত্রিক গোলযোগ। একটি ছিল বেতার তরঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন নিল আর এডুইন। দ্বীতিয়টি ছিল জ্বালানি কমে এসেছিল। যদিও এ দুই প্রতিকূলতা কাটিয়ে ২০ জুলাই সফলভাবেই দুই নভোচারী পা রাখেন চাঁদে। এরপর ২৫ জুলাই তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

মাইকেল কলিন্স ১৯৩০ সালে ইতালিতে জন্ম নেন। তার বাবা যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল ছিলেন। কলিন্স যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারি একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েট করেন। এরপর বিমানবাহিনীতে যোগ দেন।

১৯৬৩ সালে নাসা তাকে পাইলট হিসেবে নিয়োগ দেয়। ১৯৬৩ সালে মহাকাশ অভিযানে যান।

তবে কলিন্স বলেছিলেন, নাসা মশকরা করেছে আমাকে চাঁদে পাঠিয়ে। কারণ, আমি মনে করি মঙ্গল আরো চমকপ্রদ জায়গা। মঙ্গল বিষয়ে আমি ছোটবেলায় অনেক কিছু পড়েছিলাম।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION